উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি

উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি বা কিভাবে ল্যাপটপে সেটআপ দিতে হয়। এই নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন এবং আলোচনা। তাই উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হলো।

উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি

আপনাদের এই সমস্যার সমাধানের জন্য আজকের এই আর্টিকেল নিয়ে আলোচনা। তাই উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হলো।

সূচিপত্রঃ উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি

উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি

  • প্রথমে উইন্ডোজ ১১ সেটআপ করতে হবে। এবং সেখান থেকে keyboard layout,language,এবং time  নির্বাচন করা লাগবে।
  • এরপর install now বাটনে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে product key থাকলে সেখানে বা না থাকলে  I don't have a product key অপশনে সিলেক্ট করতে হবে।
  • উইন্ডোজ ১১ এ pro/home এই অপশন সিলেক্ট করতে হবে। তারপর license agreement এ সিলেক্ট করে next বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • তারপর install windows only অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এবং কোথায় ইন্সটল করতে চান সেটি সিলেক্ট করতে হবে।
  • তারপর next বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবং সমস্ত ফাইলগুলো কপি হতে আরম্ভ করবে। এই সময় ল্যাপটপ রেস্টার্ট নিতে পারে। 
  • এ প্রক্রিয়া চালু হতে বেশ সময় লাগতে পারে।

উইন্ডোজ ১১ মুলত কি ও এর ব্যবহার

আধুনিকভাবে অপারেটিং সিস্টেমে হল উইন্ডোজ ১১। যার নতুনভাবে ডিজাইন বা ফিচার তৈরি, পারফরম্যান্স অনেক ভালো এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম।

ব্যবহারকারীদের আরো অভিজ্ঞতা প্রদান করে থাকে। সব জায়গায় এটি খুব ভালো পারফরমেন্স দেখায়। ইন্সটল করা জন্য যারা নতুন ব্যবহার করে, তাদের জন্য ইন্সটল করার পদ্ধতি জানা অত্যন্ত জরুরী। তাই উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার জন্য প্রাথমিকভাবে যা যা প্রয়োজন

উইন্ডোজ ১১ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি গুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে যা যা প্রয়োজন তা আলোচনা করা হলো। 
  • উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার জন্য সর্বপ্রথম ইন্টারনেট সংযোগ স্থিতিশীল রাখা উচিত। 
  • ইন্সটল করার সময় ISO ফাইল মোটামুটি ৫থেকে ৬ জিবির প্রয়োজন হয়ে থাকে।
  • কম্পিউটার বা ল্যাপটপের চার্জার সংযুক্ত করে রাখতে হবে।
  • ডেক্সটপ এর ক্ষেত্রে UPS ব্যবহার করা উচিত।
  • ইন্সটল করার ক্ষেত্রে মোটামুটি ৮ জিবি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন USB Drive দরকার হয়ে থাকে।
  • কারণ এটি ব্যবহার করে Bootable media তৈরি করা হয়।
  • সর্বশেষ যেটা করা উচিত, সেটা হল ইন্সটল করার পূর্বে আপনার যত ডকুমেন্ট ল্যাপটপে বা কম্পিউটারে রয়েছে সেগুলো পেনড্রাইভে ব্যাকআপ নিয়ে রাখা। যাতে আপনার কোন ডেটা হারিয়ে না যায়।
  • উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার জন্য একের পর এক ধাপ গুলো অনুসরণ করা।

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার জন্য নূন্যতম যে উপাদান গুলো দরকার

আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করা যাবে কিনা তা বুঝার জন্য বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর বৈশিষ্ট্য গুলোর উপর নির্ভর করবে আপনি উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি গুলো ধারাবাহিকভাবে করতে পারবেন কিনা। এগুলো হল- 

উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি

Processor: কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্সটল করার জন্য কমপক্ষে 1(GHZ) বা ২ থেকে ৩ কোর গতিসম্পন্ন এবং ৬৪ বিটের সিস্টেম চিপ এর প্রয়োজন হয়। 

আরো পড়ুনঃ ইউটিউব শর্ট ভিডিও থেকে ইনকাম করার উপায়

Memory: এই সিস্টেম আপলোডের জন্য কমপক্ষে 4 GB RAM সম্পূর্ন কম্পিউটার বা ল্যাপটপে মেমোরি হতে হবে।

Storage: আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের স্টোরেজ কমপক্ষে ৬৪ জিবি বা এর অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হতে হবে।

System firmware: UEFI,Secure,Boot Capable এগুলো থাকতে হবে যাতে অপারেটিং সিস্টেম, বা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস কিভাবে পরিচালনা করা হয় তা জানতে ব্যবহার করা হয়।

TPM: এই ফিচারটি অনেক কম্পিউটার থাকে। আবার অনেক কম্পিউটারে আলাদা করে লাগাতে হয়। এটি মূলত নিরাপদ সিকিউরিটি সিস্টেম আছে। সিকিউরিটির জন্য TPM 2.0 চিপটি বেশ রিকুমেন্ট রয়েছে।

Graphics Card: আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করতে পারি মূলত গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য। উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার জন্য গ্রাফিক্স কার্ড DirectX 12 সমতুল্য হতে হবে।

Disply: উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ডিসপ্লে অন্তত 9 ইঞ্চির (HD) ডিসপ্লে এবং রেজুলেশন 720p হতে হবে।

Internet: সবকিছু উপাদান যদি ঠিক থাকে এবং ইন্টারনেট সংযোগে থাকে তাহলে উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করা সম্ভব। 

ISO ফাইল ইন্সটল পদ্ধতি

ISO ফাইল ডাউনলোড করা হচ্ছে উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার প্রথম ধাপ। এ ফাইল ডাউনলোড করার দরকার মূলত সিকিউরিটির জন্য। এই ফাইলটি মাইক্রোসফট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা হয়। তাই এটি উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার পূর্বেই ডাউনলোড করা উচিত।

ISO ফাইল ডাউনলোড করার নিয়ম-

  • প্রথমে মাইক্রোসফট অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
  • তারপর উইন্ডোজ ১১ Disk image (iso)অপশন সিলেক্ট করতে হবে।
  • তারপর উইন্ডোজ ১১ edition অপশন সিলেক্ট করতে হবে।
  • তারপর ডাউনলোড অপশন সিলেক্ট করে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • তারপর ভাষা নির্বাচন করতে হবে।
  • এরপর ৬৪ বিট ডাউনলোড অপশন সিলেক্ট কর ডাউনলোড করতে হবে।
  • তারপর ISO ফাইলটি ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।
  • ডাউনলোড এর সময় কতক্ষণ হবে সেটা মূলত ইন্টারনেট গতির উপর নির্ভর করে।
  • Bootable USB তৈরি করার জন্য পরবর্তীতে ISO ফাইল ব্যবহার করতে হবে।

Bootable USB তৈরির পদ্ধতি

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি গুলোর মধ্যে Bootable USB তৈরির পদ্ধতি হচ্ছে অন্যতম একটি অংশ। নিচে Bootable USB তৈরির পদ্ধতি গুলো আলোচনা করা হলো।

প্রথমে Rufus সফটওয়্যার ব্যবহার করে Bootable USB তৈরি করতে পারেন। তারপর যে ISO ফাইল ডাউনলোড করা হয়েছিল। সেই ফাইলটা আপনার ল্যাপটপে USB Drive  কানেক্ট করে, Start বাটনে ক্লিক করলেই  Bootable USB তৈরি হয়ে যাবে। 

তারপর কিছু সময়ের মধ্যেই আপনার Bootable USB তৈরি হয়ে যাবে। কার্যপ্রণালী শেষ হলে হয়ে গেলে আপনার ইউএসবি নিরাপদে remove করে নিন। তবে  তৈরি হলো Bootable USB কিনা তা টেস্ট করে নেয়া ভালো।

BIOS Setting করা 

আপনার ল্যাপটপে Bootable USB তৈরি হয়ে গেলে BIOS Setup যেতে হবে। এজন্য ল্যাপটপ Restart দিতে হবে। Restart  হয়ে গেলে f1 f10 f12 অথবা delete key বা esc চাপ দিতে হবে। তারপর BIOS Menu অপশন ওপেন করতে হবে।

তারপর  BIOS মেনুতে প্রবেশ করুন। এবং সেখানে boot priority অপশনে যান এবং USB Drive কে প্রথমেই  boot device সিলেক্ট করুন। এর ফলে ল্যাপটপ চালু হয়ে যাবে। এবং  USB থেকে উইন্ডোজ সেটআপ হবে।

তারপর save option এ গিয়ে save দিয়ে exit হয়ে BIOS থেকে বের হয়ে যান। আসলে নতুন ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ সেটআপ দিতে ভয় পায়। কিন্তু আসলে এ প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ একটি প্রক্রিয়া।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড

তারপর আপনার ল্যাপটপ Restart হওয়ার পর উইন্ডোজ setup চালু হয়ে যাবে। এবং সেখানে time,language, এবং কিবোর্ড layout নির্বাচন করুন। তারপর install naw বাটনে চাপ দিলেই setup নিতে শুরু করবে এবং স্ক্রিনে তা প্রদ র্শিত হবে।

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার নিয়ম কানুন

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি হলো।
মাইক্রোসফট এর windows 11 installation assistant ব্যবহার করা। এই টুলটি ডাউনলোড করতে হবে। এবং রান করতে হবে সমস্ত শর্তাবলী গুলো মেনে accept এবং install এ চাপ দিতে হবে। তাহলে ল্যাপটপ restart হয়ে উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল হয়ে যাবে।
প্রথম ধাপঃ প্রথমে আপনি মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ ১১ সফটওয়্যার ডাউনলোড পেজে প্রবেশ করুন। এবং সেখান থেকে windows 11 installation assistant অপশনে যান এবং ডাউনলোডে চাপ দিন।
উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি
দ্বিতীয় ধাপঃ ডাউনলোড করা ফাইলে প্রবেশ করুন এবং সেখান থেকে yes বাটনে চাপ দিন।
উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি
তৃতীয় ধাপঃ আপনার ল্যাপটপ যদি সমর্থন করে। তবে accept and install বাটনে চাপ দিন।
উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি
চতুর্থ ধাপঃ installing উইন্ডোজ ১১ এ process যে চলমান তার status দেখা যাবে।
উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি
পঞ্চম ধাপঃ installing processশেষ হওয়ার পর restart বাটনে চাপ দিন।
উইন্ডোজ-১১-ইন্সটল-করার-সহজ-পদ্ধতি
ষষ্ঠ ধাপঃ সফলভাবে ইনস্টল হওয়ার পর ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১ interface দেখা যাবে।

উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে কিভাবে ছাড়াই উbootable usb ছাড়াই উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করা যায়। 

ইন্সটল করার পর যা যা দরকার

উইন্ডোজ ১১ করার সহজ পদ্ধতি গুলো একের পর এক ধাপ পার করে ইন্সটল করার পর যা যা করণীয় থাকে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

  • ইন্সটল করার পর প্রথম কাজ হচ্ছে উইন্ডোজ আপডেট করা। এতে সিকিউরিটি আপডেট এবং ড্রাইভার ইন্সটল করা ভালো।
  • ইন্সটল হওয়ার পর গ্রাফিক্স ড্রাইভার, অডিও ড্রাইভার এবং ওয়াইফাই ড্রাইভার আপডেট করা লাগবে। অনেক সময় দেখা যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়ে যায় এই ড্রাইভার গুলো।
  • মাইক্রোসফট defender আছে কিনা বা নিশ্চিত করতে হবে। যেন ল্যাপটপে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার থেকে নিরাপত্তা পাওয়া যায়।
  • প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো ইন্সটল করতে হবে। এবং অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো আনইন্সটল করতে হবে। না হলে ল্যাপটপ অনেক স্লো হয়ে যাবে। তাই শুধু trusted সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত। যদি restore point থাকে। তাহলে ভবিষ্যতে সমস্যা হলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। 

উইন্ডোজ ১১ এর সুবিধা সমূহ

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জানার পর এর সুবিধা গুলো জানা অনেক দরকার।তা নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো। 

  • উইন্ডোজ ১১ এ আপনি সুন্দর একটি ফ্রাস্টেড গ্লাস লুকিং পাবেন। এই উইন্ডোজ কে আপনি ম্যাক এর সাথে তুলনা করতে পারবেন।এবং এই সংস্কারটি অনেক আধুনিক।
  • স্টার্ট মেনু এবং টাক্স বার সুন্দরভাবে সাজানো যা ব্যবহারকারীর কাজের গতিকে অনেক বাড়িয়ে তোলে।
  • এই সংস্কারটিতে অনেক নতুন ফিচার যোগ করেছে। স্ন্যাপ লি আউট নামক একটি ফিচার আছে। যা একসাথে অধিক কাজ আপনার পছন্দ মত ডিজাইন দিয়ে করতে পারবেন।
  • এছাড়া নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে গেমিং সিস্টেম আরো উন্নত করেছে।
  • এই উইন্ডোজ সিস্টেমটি ভবিষ্যতের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য অপারেটিং সিস্টেম।

আরো পড়ুনঃ ব্লক চেইন কিভাবে কাজ করে

সাধারণ সমস্যা ও তার সমাধান

 উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার সহজ পদ্ধতি এর যেমন সুবিধা রয়েছে। তেমনি এর অনেক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমন হলে সমাধানও বের করা সম্ভব।
  • অনেক সময় অনেক ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১ দেওয়ার সময় TPM ২.০ Error বন্ধ দেখতে পারেন। তখন bios থেকে tpm enable করলেই এর সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সেট আপ দেওয়ার আগেই এগুলো দেখে নেওয়া ভালো।
  • USB থেকে boot না হয়ে থাকে, তাহলে boot priority সঠিকভাবে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে পারেন। ইন্সটল দেওয়ার পূর্বে প্রয়োজনে Rufus দিয়ে পুনরায় bootable usb তৈরি করতে পারবেন।
  • ISO ফাইল যদি কোন ভাবে নষ্ট হয় অথবা USB Drive ত্রুটিপূর্ণ হয় তাহলে সমস্যা হতে পারে। তাহলে ISO ফাইল ডাউনলোড করে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।
  • ইনস্টল এর পর যদি ওয়াই-ফাই বা গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালোভাবে কাজ না করে। তাহলে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবার ড্রাইভার ডাউনলোড করতে হবে।

 লেখকের মন্তব্য

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে, ল্যাপটপ ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই নিজে নিজে সেটআপ করতে পারবেন। শুধু আপনার ল্যাপটপে রিকোয়ারমেন্ট গুলো আছে কিনা, তা যাচাই করে নেন। তারপর ISO ফাইল এবং Bootable USB তৈরি করে ফেলুন। এবং ধাপ অনুসরণ করে ইন্সটল করুন। আধুনিক সংস্কারগুলো ব্যবহার করুন।

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার পূর্বে অবশ্যই ডেটা ব্যাকআপ নিয়ে রাখুন এবং সবকিছু ঠিকভাবে ইন্সটল করুন। তাহলে সফলভাবে ইন্সটল করা যাবে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য। এই ধরনের তথ্যভিত্তিক আর্টিকেল পাওয়ার জন্য আমার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Anjuman Ara
Anjuman Ara
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও আলিফ লাম মীম এন এস এর এডমিন। আমি ডিজিটাল মার্কেটিং, SEO, অনলাইন ইনকাম ও ব্লগিং বিষয়ে নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি। আমি নিয়মিত বাস্তব ভিত্তিক গাইড, টিপস এন্ড ট্রিকস ও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে নতুন তরুণদের অনলাইন জগতের প্রতি আগ্রহী করে যাচ্ছি।